গর্ভাবস্থায় জাফরান খেলে কি বাচ্চা ফর্সা হয়
গর্ভাবস্থায় জাফরান খেলে কি বাচ্চা ফর্সা হয় এটি ডাক্তারি পরামর্শ ও মতামত সহ সম্পূর্ণ জেনে নিন আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে। জাফরান খাওয়ার সঠিক নিয়ম ও শরীরের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও ঝুঁকি
রয়েছে কিনা সম্পূর্ণ থাকছে আজকের
আর্টিকেলে। জানতে হলে অবশ্যই পুরো আর্টিকেল মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। মা ও শিশুর
স্বাস্থ্যের জন্য অবশ্যই সম্পূর্ণটা আপনার মনের ভুল ভ্রান্তি এবং ডাক্তার ভিত্তিক
প্রমাণিত সম্পূর্ণ বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন এক ক্লিকে।সূচিপত্রঃগর্ভাবস্থায় জাফরান খেলে কি বাচ্চা ফর্সা হয়
- গর্ভাবস্থায় জাফরান খেলে কি বাচ্চা ফর্সা হয়
- গর্ভাবস্থায় জাফরান দুধ খাওয়ার নিয়ম
- গর্ভাবস্থায় জাফরান খাওয়ার উপকারিতা
- FAQ/ জাফরান খাওয়া সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর
- গর্ভাবস্থায় জাফরান খাওয়ার অপকারিতা
- জাফরান এর কেজি কত টাকা
- জাফরান বাংলাদেশে কোথায় পাওয়া যায়
- জাফরান ব্যবহারের নিয়ম
- জাফরান এর কাজ কি
- FAQ/ জাফরান খাওয়া সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর
- শেষ কথাঃগর্ভাবস্থায় জাফরান খেলে কি বাচ্চা ফর্সা হয়
গর্ভাবস্থায় জাফরান খেলে কি বাচ্চা ফর্সা হয়
গর্ভাবস্থায় জাফরান খেলে কি বাচ্চা ফর্সা হয় জাফরান খেলে সত্যিই কি গর্ভের
বাচ্চা ফর্সা হয় এবং ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী মতামত কি বলে চলুন তাহলে আমরা
জেনে নেই আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে। অনেকেই মনে করেন জাফরান খেলে গর্ভের বাচ্চা
সুস্থ স্বাভাবিক এবং ফর্সা গায়ের রং দুধের মত আলতা ফর্সা হবে এই ভেবে অনেকেই
আছেন জাফরান খেয়ে থাকেন।
আরো পড়ুন
কি আমল করলে বাচ্চা সুন্দর হয়
কিন্তু ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী এটি স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে এটি কোনভাবে
বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয় যে জাফরান খেলে গর্ভের বাচ্চা ফর্সা এবং সুন্দর হতে
পারে আল্লাহর দান এবং আল্লাহর সৃষ্টির ওপর কোনো কারো কিছুর হাত থাকে না। এটি
সুন্দর্য ও স্বাভাবিকভাবে আসার একমাত্র অজুহাত হচ্ছেন আল্লাহ দান তার ওপরে। আরও
একটি জিনিস খেয়াল রাখতে হবে
গর্ভকালীন সময় গর্ভে বাচ্চা সুস্থ রাখার জন্য গর্ভের ধারে নিয়ে মাকে বিভিন্ন
রকমের খাবারের উপর নিজেকে খেয়াল রাখতে হয় কারণ গল্পকালীন সময় অনেক সেনসিটিভ
সময় এ সময় নানা রকম সমস্যা নানা রকম অসুখ বিসুখ সমস্যা দেখা দেয়। এ সময় যদি
কোন ভাবে জাফরান মিশিয়ে দুধের সাথে প্রতিদিন মাঝেমধ্যেও খেতে পারা যায় তাহলে
শরীর কিছু অংশ উপকারিতা মিলতে পারে।
যেমন গর্ভ অবস্থায় মায়েদের শরীরে গা হাত ব্যথা হওয়া হাত-পা ফুলে যাওয়া
রক্তনালী তে সমস্যা হওয়া বা রক্ত কম হয়ে যাওয়া শরীরের বিভিন্ন পেশীতে ব্যথা
হওয়া বা মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া অসহায়হীন হয়ে যাওয়া বা শরীরে বিভিন্ন
ঘাটতি পুষ্টির অভাব দেখা দেয়। ঠিক যদি আপনি এসব কারণে জাফরান যাকে আমরা বাংলা
ভাষায় কেশর বলি দুধের সাথে মিশে খেলে এটি অনেকাংশে পুষ্টিকার্থে শরীরের রক্তের
শূন্যতা শরীরের পেশির ব্যথা এবং শরীরের উন্নতির জন্য জাফরান খেলে এটি উন্নতি
পাওয়া যেতে পারে।
কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে কোথাও কোনোভাবে প্রমাণিত নয় ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী যে
জাফরান খেলে গর্ভের বাচ্চা ফর্সা হবে বা সুন্দরভাবে এমন কোথাও লেখা নেই গর্ভকালীন
আপনি বিভিন্ন রকম সেনসিটিভ সময় পার করেন এর কারণে আপনি যদি নিজেকে সুস্থ ও
স্বাভাবিক রাখার জন্য ডাক্তারের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী করেন এবং যদি আপনি
মনে করেন পাশাপাশি কেশর খাবেন তাতে আপনার শরীরের উপকারিতা পেতে পারেন তাছাড়া
গর্বের বাচ্চা ফর্সা হওয়া এটি পুরোপুরি আল্লাহর হাতে।
গর্ভাবস্থায় জাফরান দুধ খাওয়ার নিয়ম
গর্ভাবস্থায় জাফরান দুধ খাওয়ার নিয়ম জাফরান খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আমাদের
কাছে অনেকে জানতে চেয়েছেন যে গর্ব অবস্থায় ঠিক। কতটুকু পরিমান জাপান খেতে
পারবেন এবং কোন সময় থেকে জাপান খেলা আসলে শরীরের জন্য উপকার হবে এবং বাচ্চার
জন্য উপকার হবে সম্পূর্ণ থাকতে পুরো আর্টিকেল বিস্তারিত তাই মনোযোগ সহকারে পুরো
আর্টিকেলটি পড়ে আপনি জাফরান খান নিয়ম সম্পর্কে জানুন।
চতুর্থ পঞ্চমঃ এ দুই মাসের মধ্য থেকে আপনি জাফরান খাওয়া শুরু করতে পারেন সাধারণত
জাপান খেতে পারার একটা নিয়ম রয়েছে সেই নিয়মটি হলো যে গর্ভের বাচ্চা যখন
নড়াচড়া অবস্থায় আপনি কোনভাবে অনুভব করতে পারবেন বা ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী
আপনার গর্ভের বাচ্চানড়াচড়া করছে ঠিক সেই সময় থেকে আপনি জাফরান খেতে
পারবেন।
খাওয়ার নিয়মঃ এক গ্লাস গরম দুধের সাথে দুই থেকে চারটি জাফরান পাতা মিশিনি এটি
কমপক্ষে 20 থেকে 15 মিনিট ভিজিয়ে রাখুন যতক্ষণ না একটি হলুদ ভাব বর্ণনা আসে ঠিক
ততক্ষণ অবস্থায় ভিজিয়ে রাখার পর আপনি এটি যে কোন রাতের অথবা সকালে একবার খেতে
পারেন।
খাবার নিয়মঃ তবে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে অতিরিক্ত জাফরান খাওয়ার ফলে গর্ভপাত
হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই সাধারণত যতটুকু নিয়ম ঠিক ততটুকু নিয়ম অনুযায়ী আপনি
জাফরান খেতে পারেন এতে আপনার শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে শরীরের ওজন
ঠিকঠাক রাখতে পারে মন ভালো রাখতে পারে মানসিক চাপ দূর করতে পারে।
গর্ভাবস্থায় জাফরান খাওয়ার উপকারিতা
গর্ভাবস্থায় জাফরান দুধ খাওয়ার নিয়ম জাফরান খাওয়ার উপকারিতা আমরা কোন দেশে
অনেকেই জানি খেলে কিছু উপকারিতা হতে পারে চলুন তাহলে একটু জেনে নেই। গর্ব
অবস্থায় জাফরান খেলে শরীরের সবচাইতে বেশি উপকার পাওয়া যায় কিন্তু সেই উপকার
গুলো কি কি অনেকেই জানিনা থাকছে বিস্তারিত।
রক্তশূন্যতা কমায়ঃ যাদের গর্ভ অবস্থায় রক্তশূন্যতা বেশি দেখা যায় হাত পা ফুলে
যায় এবং হাত পা ফ্যাকাসে ভাগ হয়ে যায় তাদের ক্ষেত্রে আপনি চাইলে প্রতিদিন এক
গ্লাস দুধের সাথে কয়েকটা জাফরান পাতা। ভালোভাবে মিশিয়ে সকালে অথবা রাতে খেতে
পারেন এতে অনেকাংশ রক্তশূন্য তখন আনতে পারে।
মানসিক চাপ কমায়ঃ গর্ভাবস্থার গর্ব অবস্থায় মায়েদের অনেক সময় মন খারাপ থাকে
মানসিক চাপ থাকে টেনশন থাকে এক্ষেত্রে আপনি যদি জাফরান নিয়মিত দুধের সাথে
মিশিয়ে খেতে পারেন এতে মন ভালো থাকে মানুষ একটু কমায় এবং শরীর-স্বাস্থ্য ভালো
রাখে।
হাত পা ব্যথা কমায়ঃ গর্ভ অবস্থায়দেখা যায় হাত পা ব্যথা হয় ফুলে যায় বিভিন্ন
রকমের সমস্যা দেখা দেয় সেক্ষেত্রে আপনি ব্যাথা প্রদাহ কমানোর জন্য যদি দুধের
সাথে জাফরান নিচে খেতে পারেন এতে দ্রুত নিরাময় করে এবং শরীরের বিভিন্ন পেশি
নিয়ন্ত্রণ করে।
গর্ভ প্রদাহ ঠিকঠাক থাকেঃ অনেকেই আছে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে সে
ক্ষেত্রে আপনি যদি মাঝেমধ্যে এক গ্লাস দুধের সাথে জাফরানসে খেতে পারেন এতে এতে
অনেক অংশে গর্ভপাত হওয়া থেকে রক্ষা করে এবং অতিরিক্ত শোভন করলে একটিতেও গর্ভপাত
হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
FAQ/ জাফরান খাওয়া সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর
প্রশ্ন গর্ভাবস্থায় কি করলে বাচ্চা ফর্সা হয়
উত্তরঃ সাধারণত কোন খাবারের উপর ভিত্তি করে গর্ভের বাচ্চা ফর্সা হয় এমন কোথাও
বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয় তবে ভিটামিন ই অমোগো এসিড এবং তেল বীজ বাদাম এরকম
কিছু খাবার খেলে গর্ভের বাচ্চা সুস্বাস্থ্য ও ভালো হতে পারে।
প্রশ্নঃ জাফরান খেলে কি ফর্সা হয়?
উত্তরঃ জাফরান খেলে কোন ভাবে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করা যায়নি যে বাচ্চা ফর্সা
হয় তবে জাফরান খেলে শারীরিকভাবে গর্ভবতী মায়েদের বিভিন্ন উপকারে আসে তাই
গর্ভকালীন জাফরান দুধের সাথে মিশে খেতে বলা হয়।
প্রশ্নঃ গর্ভবতী মায়েদের জাফরান খাওয়া কি নিরাপদ?
উত্তরঃ গর্ভবতী অবস্থায় জাফরান খাওয়া নিরাপদ এটা যেমন সঠিক ঠিক অতিরিক্ত হারে
জাফরান খাওয়া নিরাপদ নয় এতে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
প্রশ্নঃ জাফরানের উপকারিতা কি কি?
উত্তরঃসাধারণত গর্ব অবস্থায় জাফরান খেলে গর্ভবতী মায়ের গর্ভ প্রদাহ রক্ষা করে
যেমন শরীরের রক্ত কম থাকলে সেটি ঠিকঠাক করে বিভিন্ন হার ও মাংসপেশী মজবুত করে।
শরীরের বিভিন্ন ব্যথা ফুলে যাওয়া দূর করে চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় এবং
সাইকোলজি বলেন মেজাজ খিটখিটে থাকা অবস্থার কারণে সেটা নিয়ন্ত্রণ করে এবং সুস্থ
স্বাভাবিক রাখে।
গর্ভাবস্থায় জাফরান খাওয়ার অপকারিতা
গর্ভাবস্থায় জাফরান খেলে যেমন উপকারিতা পাওয়া যায় ঠিক তেমনি এর অপকারিতাও
রয়েছে অনেকেই এর উপকারিতা ওগো সম্পর্কে জানে কিন্তু এর অপকারিতা কি কি হয়েছে সে
সম্পর্কে অনেকে জানেন না। চলুন তাহলে আমরা আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে জেনে নেই
অতিরিক্ত জাফরান শোভনের ফলে কি কি ক্ষতিকারক হতে পারে গর্ভবতী মায়ের।
গর্ভপাতঃ প্রতিদিন কমপক্ষে তিন থেকে চারটি অথবা পাঁচটি করে পাতা দুধের সাথে এক
গ্লাস গরম দুধের সাথে মিশে খেতে পারে যদি আপনি এক গ্রাম দুই গ্রাম খেতে পারেন এতে
কোন সমস্যা হতে নাও পারে। তবে আপনি যদি এটি পাঁচ গ্রামের ওপর জাফরান খেয়ে থাকেন
তাহলে এতে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
তাপমাত্রা বৃদ্ধিঃ সাধারণত শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা গর্ভকালীন অবস্থায় থাকা
শরীরের জন্য উপকারী যদি অতিরিক্ত জাফরান শোভন করে থাকেন তাহলে এটি শরীরের
তাপমাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে এবং শরীরে অতিরিক্ত জ্বর হলে গর্ভের বাচ্চার ক্ষতি
হতে পারে।
সাবধানতাঃ এটি খাবার অতিরিক্ত পরে যদি কোনভাবে বমি বমি ভাব মাথা ঘোরা রক্ত
শূন্যতা ভাব বা হাত-পা ফুলে যাওয়া বিভিন্ন রকমের সমস্যা দেখা দেয় অতিসত্বর
ডাক্তারের চিকিৎসা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ তাছাড়া অতিরিক্ত শোভনের ফলে এরকম
সেন্ট্রোম বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
জাফরান এর কেজি কত টাকা
অনেকেই আমাদের কাছে যা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন বর্তমান সময়ে জাফরানের দাম এবং
ঠিক কত আনুমানিক কত সম্পন্ন থাকতে পুরো আর্টিকেলে বিস্তারিত পড়ার জন্য অনুরোধ
থাকলো তাই পুরো আর্টিকেটে পড়ে জেনে নিন জাপানের আসল দাম।
সাধারণত জাপানের দাম অনেক বেশি এ কথাটা অনেকেই জানি বাংলাদেশে একজন জাফসানের দাম
৩৫০ থেকে ৬৫০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। যদি আপনি এটি কেজি হিসেবে ক্রয় করে থাকেন
সাধারণত এর দাম পড়তে পারে তিন থেকে চার লাখ টাকা পর্যন্ত কেজি।
কাশ্মীরি বা ইরানে এর দাম অনেক সময় দুই থেকে তিন লাখ টাকা কেজি দরেও হয়ে থাকে
তবে এর দাম পরিপূর্ণ এক দামের ওপর নির্ভর করে না বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপে দাম
পরিবর্তিত হয়ে থাকে তবে এটি সকলেই জানেন যে জাপানের দাম অনেক কম সেই বেশি।
জাফরান বাংলাদেশে কোথায় পাওয়া যায়
অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন যে জাফরান ঠিক কোথায় পাওয়া যেতে পারে বা
কিভাবে ক্রয় করা যায় চলুন তাহলে বিষয়টা আমরা বিস্তারিত জেনে নেই। সাধারণত
যাত্রার বাংলাদেশের এটি চাষ করা হয় না তাই আমরা বাংলাদেশের যেকোনো বাজারে এটি
ক্রয় করতে পারব না।
এটি ক্রয় করার জন্য অবশ্যই আপনাকে ইরানি বাজার ডট কম, বা কাশ্মীরি ফুড
দারাজ, এর মাধ্যমে আপনি অনলাইন শপ এর মাধ্যমে কোনভাবেই জাফরান ক্রয় করতে পারবেন
অনেকাংশে দেখা যায় রকমারি ফুড সন্দ্বীপ বাজার সপে, মাধ্যমে ও জাফরান ক্রয়
করা যায় তাছাড়া বাংলাদেশে কোনভাবে এটি চাষ করা হয় না যে বাংলাদেশের যেকোনো
বাজারে আপনি এটি পেতে পারেন এমন কোথাও নেই।
তবে কিছু সংখ্যক শেরে বাংলা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এটি কিছু সংখ্যক দেখা গেছে
চাষের সংখ্যা দেখা গেছে তাছাড়া আপনি এগুলো অনলাইন শপের মাধ্যমেই জাফরান ক্রয়
করতে পারবেন।
জাফরান ব্যবহারের নিয়ম
গর্ভাবস্থায় জাফরান খেলে কি বাচ্চা ফর্সা হয় জাফরান ব্যবহার নিয়ে সম্পর্কে
আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন চলুন তাহলে আমরা জেনে নিয়ে যা জাফরান কিভাবে ব্যবহার
করবেন এবং কি কি ভাবে ব্যবহার করা যায় কি কিভাবে খাওয়া যায় সম্পূর্ণ একটু
বিস্তারিত জেনে নিন।
দুধঃ সাধারণত গর্ভবতী মায়ের আদরের সাথে দুই থেকে তিনটি সুতো ভালোভাবে মিশে ১০
থেকে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রেখে এরপর রাতে অথবা পান করতে পারেন।
চায়ের সাথেঃ হালকা গরম চায়ের সাথে দুই থেকে চারটি জাফরানের সুতো ভালোভাবে মিশে
১০ থেকে ১৫ মিনিট পর এটি পান করুন।
ভিজিয়েঃ কমপক্ষে 15 থেকে 20 মিনিট তিন থেকে চারটি জাপান পাতা ভালোভাবে ভিজিয়ে
রাখুন এটি জাফরান পাতা দিয়ে মুছে পরিষ্কার করে এটি ফ্রেশ প্যাক তৈরি করেও মুখে
ফেস ব্যবহার করতে পারেন।
জাফরান এর কাজ কি
আমাদের কাছে অনেকে জানতে চেয়েছিলাম যে জাফরানের কাজ কি? জাফরানের কাজহচ্ছে
সাধারণত শরীরের সুস্থ স্বাভাবিক রাখার রক্তনালী ঠিকঠাক রাখা ওজন ঠিকঠাক রাখা
ক্যালসিয়াম বৃদ্ধি করা। ত্বকের রুক্ষতা দূর করে সৌন্দর্য ফিরে আনা।
গর্ভাবস্থায়ঃ এক গ্লাস দুধের সাথে যদি আপনি জাপান প্রতিদিন নিয়ম করে যে কোন এক
সময় রাতে অথবা সকালে খেতে পারেন তাহলে আপনার শরীরের ওজন থাকবে। গর্ভাবস্থায় হাত
পা ফুলে যাওয়া সমস্যা থেকে রক্ষা পাবেন এবং মানসিক চাপ দূর করবে শারীরিক সুস্থতা
বজায় রাখবে এবং। শরীরে ক্যালসিয়াম জনিত সমস্যা বা পুষ্টি জনিত কোন সমস্যা থাকলে
তা সম্পূর্ণ দূর করবে।
রূপচর্চায়ঃ জাফরান সাধারণত একটি সৌন্দর্যের প্রতীক ব্যাগ বা সাধারণত দুধের
সাথে এমনি মিশে খেলো শরীরের রূপের দুটোই কাজ করে ১ থেকে একদিকে পুষ্টিক ঘাটতি দূর
করে অন্যদিকে শরীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। মানসিক চাপ ও শারীরিক চাপ দূর করে।
FAQ/ জাফরান খাওয়া সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর
প্রশ্ন যখন খাওয়ার সময় কি কি খাওয়া উচিত নয়?
উত্তরঃ জাফরান খাওয়ার সময় সাধারণত কোন নেশা জাতীয় কোন জিনিস পাগলের ওষুধ
খাওয়া উচিত নয়।
প্রশ্নঃ জাফরান কখন খাওয়া উচিত?
উত্তরঃ জাফরান সাধারণত সকালে অথবা ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে হাওয়া খুবই
গুরুত্বপূর্ণ
প্রশ্নঃ জাফরান খেলে কি এলার্জি হয়?
উত্তরঃ জাফরান খেলে সাধারণত এলার্জি হতে পারে যেমন না চোখ মুখে উপর আবরণে
এলার্জির ভাব করতে পারে।
প্রশ্নঃ দুধের সাথে জাফরান খেলে কি হয়?
উত্তরঃ দুধের সাথে জাফরান খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ওজন
নিয়ন্ত্রণ করে ক্যালসিয়াম যুক্ত করে মানসিক চাপ দূর করে।
শেষ কথাঃগর্ভাবস্থায় জাফরান খেলে কি বাচ্চা ফর্সা হয়
গর্ভাবস্থায় জাফরান খেলে কি বাচ্চা ফর্সা হয় উপরোক্ত আলোচনা পরিপ্রেক্ষিতে আমরা
আজকে আলোচনা করেছি জাফরান খেলে কি কি উপকারিতা পাওয়া যায় কিন্তু অপকারিতা হয়
এবং খেলে ঠিক সত্যি কি কোন রকম ভাবে বাচ্চা ফর্সা করা যায়। সবকিছু ছিল আজকের
আর্টিকেলের মাধ্যমে আশা করছি
আপনি এই ভুল ভ্রান্তি ধারণা থেকে বেরিয়ে আসছেন এরকম কু সংস্কার জনিত কথা অনেক
সময় বলা হয় তবে কোন কিছুই মানুষের হাতে থাকে না এটি স্বয়ং আল্লাহর হাতে মনোযোগ
সহকারে করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
নিত্য নতুন আটিকেল পেতে আমাদের সাথেই থাকুন আমাদের ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করুন
আবারো কোন নতুন আর্টিকেল নিয়ে আপনাদের সাথে দেখা ততক্ষণ সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ
থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url